আল্লামা ইকবালের খুদী সংক্রান্ত কবিতার ২টি বিখ্যাত লাইন হলো: ‘খুুদি কু কর বুলন্দ এতনা কে হর তাকদির সে পেহলে / খোদা বন্দে সে খোদ পূছে বাতা তেরী রেযা কিয়া হ্যায়?’ অর্থাৎ: ``খুদিকে এমন উঁচুতায় নিয়ে যাও যাতে (তোমার ভাগ্য লিখবার আগে) আল্লাহ স্বয়ং জিজ্ঞেস করেন: বান্দা তোমার সন্তুষ্টি কীসে বল, আমি সেটাই লিখে দেই।" ‘খুদি’ কী? সত্ত্বা তথা আত্মার জাগরণ, সঠিক আত্মোপলব্ধির বলীয়ান বিকাশ। এ খুদিই ইকবালের কাব্যদর্শনের মূল সুর। এ খুদির মাধ্যমে তিনি বিপর্যস্ত মানবতার সংকট-মুক্তির আকুতি জানিয়েছেন। খুদিকাব্যের প্রতিটি ছত্রে তিনি মানবদরদের দূর্গ-কলিজাকে ফালি ফালি করে কেটে পরিবেশন করেছেন আত্মভোলা জাতির দস্তরখানে। আত্মার জাগরণকে তিনি এমন উঁচু স্তরে নিয়ে যাবার আহ্বান জানিয়েছেন, যে স্তরে উন্নীত হলে বান্দার প্রতি আল্লাহপাক সম্পূর্ণই সন্তুষ্ট হয়ে যান। আর সেই সন্তুষ্টির কারণে আল্লাহ বান্দার তাকদির (ভাগ্যলিপি) বান্দার সম্পূর্ণ অনুকূলেই লিখে দেন। খুদী সংক্রান্ত কবিতার উক্ত ২টি বিখ্যাত লাইনের কাব্য অনুবাদ নীচে দেয়া হলো:
এই দুইটি ভিডিও দেখুন প্লীজ:
বিশেষ নোট: ২য় কাব্য অনুবাদটির কবির নাম আমার জানা নাই। কেউ জানলে এই ই-মেইলে জানাবের প্লীজ: sohelict@gmail.com
No comments:
Post a Comment